GadiaraOthers 

গাদিয়াড়া পর্যটক-শূন্য হওয়ায় সমস্যা প্রকট

আমার বাংলা অনলাইন নিউজ ডেস্ক : ইলিশের মরশুম চললেও পর্যটকশূন্য গাদিয়াড়া। রীতিমতো কপালে হাত হোটেল ব্যবসায়ীদের। বর্ষার সময় টাটকা মাছ ও ইলিশের টানেই অনেক বাঙালি গাদিয়াড়ায় ছুটে আসেন। মৎস্যজীবীরা ইলিশের সন্ধানে মরিয়া। পরিমাণে কম হলেও তা মিলছে। গাছ-গাছালিতে মোড়া গ্রাম্য পরিবেশ। সামনে নদীর জলরাশি। বর্ষার গাদিয়াড়া আরও ভিন্ন চেহারায় দেখা যায়। আকাশে মেঘের ফাঁক দিয়ে সূর্যকিরণ উঁকি মারে। মৎস্যজীবীরা জাল টেনে তোলে নৌকায়। এবার গাদিয়াড়া অতিথি-শূন্য হওয়ায় সমস্যা প্রকট।

স্থানীয় সূত্রের আরও খবর, আম্ফান ঘূর্ণিঝড়ের রেশের মাঝেই করোনার আবহাওয়া। পর্যটক শূন্য হাওড়া জেলার অন্যতম এই পর্যটন কেন্দ্র। হতাশ মৎস্যজীবী থেকে হোটেল ব্যবসায়ীরা। তীব্র আর্থিক সঙ্কটেও রয়েছেন তাঁরা। উল্লেখ্য, শ্যামপুরের গাদিয়াড়া কলকাতা থেকে প্রায় ৮০ কিলোমিটার দূরে অবস্থিত। হুগলি, রূপনারায়ণ ও দামোদরের সংযোগস্থল। এই পর্যটন কেন্দ্রে প্রচুর পর্যটকের ভিড় থাকে প্রতিবছরই বর্ষার সময়ে। ভরা বর্ষায় রূপনারায়ণের ইলিশের টানে পর্যটকদের ভিড়ও জমজমাট থাকে।

করোনা-আতঙ্ক পর্যটন কেন্দ্রের চেহারা বদলে দিয়েছে। প্রায় সাড়ে ৩ মাস পর্যটকের আনাগোনা নেই গাদিয়াড়ায়। করোনা পরিস্থিতির কিছুটা বদল হতেই অনেকটা আশার আলো দেখেছিলেন ব্যবসায়ীরা। এক্ষেত্রে তাঁদের বক্তব্য, আপাতত যানবাহন চলাচলের পাশাপাশি লঞ্চ পরিষেবা চালু হওয়ায় মনে একটু আশা জেগেছিল। করোনার প্রভাব ক্রমশ বাড়তে থাকায় সমস্যা বেড়েছে। আগামী কয়েক মাস কোনও পর্যটক এখানে আসবেন না, এমনটাই মনে করা হচ্ছে। আবার গাদিয়াড়ায় কোয়ারেন্টাইন সেন্টার হওয়ায় পর্যটকরা আরও বিমুখ হয়েছেন। স্থানীয় সব ধরনের ব্যবসায়ীরা জানিয়েছেন, যাঁরা একবেলার সফরে আসতেন, তাঁরাও আসা বন্ধ করেছেন। এরফলে চরম সমস্যার মুখে পড়েছি আমরা। পরিস্থিতি না বদলালে এখানকার ব্যবসার সঙ্গে যুক্ত সকলেই তীব্র আর্থিক সঙ্কটের মুখোমুখি পড়বেন সবাই।

Related posts

Leave a Comment